script type="text/javascript">
atOptions = {
'key' : '20552d68ea06c9ed547f13efae52c2e5',
'format' : 'iframe',
'height' : 90,
'width' : 728,
'params' : {}
};
একজন মুসলিম হিসাবে দানের গুরুত্ব জেনে আমল করার পাশাপাশি কোথায়, কখন, কীভাবে দান করতে হবে— এই বিষয়ে ব্যাসিক ধারণা রাখা জরুরী। প্রকাশ্যে দান করা উত্তম কিন্তু গোপনে দান করা সর্বোত্তম। কারণ গোপন দান আল্লাহর রাগকে মিটিয়ে দেয়। তবে পরিস্থিতি অনুসারে গোপনে দান করার পাশাপাশি কোন বিশেষ উদ্যোগে অন্যান্যদেরকে উৎসাহিত করতে; প্রকাশ্যে দান করাও বৈধ। তাই, কেউ প্রকাশ্যে দান করে শো-অফ করছে; অন্যের ব্যপারে এধরণের নেগেটিভ চিন্তা থেকে দূরে থাকতে হবে।
দান করার ক্ষেত্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে তা হলো— দান-সাদাকার ক্ষেত্রে রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়-স্বজনদেরকে অগ্রাধিকার দেওয়া। কারণ গরিব-অসহায়দেরকে দান করলে যে সওয়াব পাওয়া যায়; অসচ্ছল-অভাবী কোন আত্মীয়কে দান করলে তার দ্বিগুণ সওয়াব পাওয়া যায়।
আর মনে রাখতে হবে যে, দান করলে সম্পদ কখনো কমেনা বরং তা বেড়ে যায়। আমরা অন্যদের দিলে, তিনি আমাদের দু’হাত ভরে দেবেন। আর আখিরাতের প্রতিদান তো আছেই! স্বয়ং আল্লাহ্ তা'আলা আমাদের করা সামান্যতম দানকেও পেলে পুষে পাহাড়ের সমান বানিয়ে দেন। ঠিক যেমন কোন ছোট্ট বাছুরকে পেলে পুষে বড় করা হয়। সুবহানাল্লাহ !
0 Comments