মুসলিমদের কাছে পোষা প্রাণী হিসেবে জনপ্রিয় একটি প্রাণী বিড়াল। সবচেয়ে বেশি হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবি আবু হুরায়রা (রা.) বিড়াল খুব পছন্দ করতেন। রাসুলের দরবারে থাকা অবস্থায় একবার তাঁর চাদরের আস্তিন থেকে একটি বিড়ালছানা বেরিয়ে পড়ে। তখন আল্লাহর রাসুল (সা.) তাকে মজা করে বলেন, ‘ইয়া আবু হুরায়রা !’ অর্থাৎ ‘হে বিড়ালের পিতা!’ আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, বিড়াল নামাজ বিনষ্ট করে না। কারণ তা ঘরের জিনিসপত্রের অন্তর্ভুক্ত। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৩৬৯) বিশেষজ্ঞদের মতে, বাড়িতে বিড়াল পালনের বহু উপকারিতা রয়েছে। পোষা প্রাণী হিসেবে কুকুর বিড়ালের চেয়ে বেশি প্রভুভক্ত হলেও উপকারিতার দিক থেকে বিড়াল উপকারী ও পরিচ্ছন্ন। বিভিন্ন গবেষণার মাধ্যমে তা প্রমাণিতও হয়েছে। ব্রিটিশ লেখক মারলন বলেন, ‘বিড়াল চমৎকার এক পোষা প্রাণী! এটি বুদ্ধিমান, স্বাধীন, স্নেহশীল, অনুগত এবং তুলনামূলকভাব বেশ শান্ত। বিড়াল নিজেই খুব পরিষ্কার থাকে। অন্য অনেক পোষা প্রাণীর তুলনায় প্রতিদিন একে রক্ষণাবেক্ষণে ও যত্নে খুব কম সময় দিতে হয়। তাদের থাকার জন্য বেশি জায়গার প্রয়োজন হয় না; ছোট বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্টে বসবাসকারী লোকেদের জন্যও এটি বেশ উপযোগী।
|
0 Comments